(গভীরে ডুবে যাওয়া ভূমি এবং ইমরান খান)

মোহাম্মাদ কাসীম বলেন, ২০১৮ সালের ২৫ আগস্ট, এই স্বপ্নে আমি নিজেকে একটি বিশাল এলাকায় খুঁজে পাই। সেখানে আশেপাশে অন্যান্য লোকও আছে, যেন তারা এলাকাটিতে টহল দিচ্ছে। এই ভূমিটি খুব বড় এবং সবকিছু ঠিক বলে মনে হয়। হঠাৎ কিছু ঘটে এবং নদীর গভীরতার মতো ভূমি খুব গভীরে ডুবে যায় এবং অনেক লোক এই ঘটনার দ্বারা প্রভাবিত হয়। এই দেখে আমি অবাক হয়ে গেলাম এবং বললাম, এখানে কী ঘটেছে ? সবকিছু ঠিক ছিলো তাহলে কিভাবে এই সব ভূমি ডুবে গেল ? লোকেরা কিছু সময়ের জন্য অপেক্ষা করে, ভাবছে যে এটি ঠিক হয়ে যাবে, কিন্তু কোন কিছুই উন্নতি হয় না। আমি নিজেকে বললাম, আমি গিয়ে দেখব ইমরান খান এই মুহুর্তে কি করছেন? তারপর আমি সেই জায়গার দিকে যাই যেখানে ইমরান খান উপস্থিত আছেন এবং আমি দেখি তিনি অন্যান্য কিছু মানুষের সাথে কোথাও যাচ্ছেন। ইমরান খান মর্মাহত এবং তিনি রাগান্বিত হয়ে হাঁটতেছেন, যেমন তাকে আমি আমার স্বপ্নে দেখেছিলাম। তিনি পরিস্থিতির উপর দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং কিছু লোকের সম্পর্কে অভিযোগ করেছেন যে, কেন এই লোকেরা আমাদেরকে কাজটি করতে দিচ্ছে না? এই ঘটনাটি যে মাত্র ঘটলো, কিভাবে এই সব সংশোধন করা যাচ্ছে ? স্বপ্ন শেষ হয়।

Posted in Uncategorized | Leave a comment

(পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ব্যর্থতা)


মোহাম্মাদ কাসীম বলেন, ২০১৮ সালের ২৭ আগস্ট, এই স্বপ্নে তিনি দেখেন যে, প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সংস্কার করার চেষ্টা করছেন। বিরোধীদলীয় নেতারা জোর দিয়ে বলেন যে, কোনো সংস্কার করা হচ্ছে না এবং সবকিছু এখনও একই। মিডিয়া ও সাংবাদিকরাও জোর দিয়ে বলছেন যে, ক্ষমতাসীন পিটিআই দলেরও একই বয়সী মানুষ আছেন, যারা আগের সরকারেরও একটি অংশ হয়েছেন, তারা কী পরিবর্তন আনতে যাচ্ছেন? কিন্তু পিটিআই ও তার সরকার এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে এবং তারা বলেন যে, আমরা কঠোর পরিশ্রম করছি এবং অনেক কাজ করা হচ্ছে। ক্ষমতাসীন পিটিআই দলের সমর্থকরাও সাধারণভাবেই একই বর্ণনা গ্রহণ করেন এবং জোর দেন যে, তাদের সরকার সবকিছু ঠিক করছেন। তারপর হঠাৎ কিছু ঘটে এবং সবকিছু ভেঙ্গে যায় এবং প্রশাসনের কর্মক্ষমতা সম্পর্কে বাস্তবতা উন্মোচিত হয় এবং মানুষ একটি বড় আঘাত পায়। তারা এই পরিস্থিতির উপর বিশ্বাস করতে পারে না। এবং কী ঘটেছে ? এটা বলার মাধ্যমে তারা তাদের হতাশা প্রকাশ করে। ইমরান খানও ব্যর্থ হয়েছে এবং এরপর পাকিস্তানে মারাত্মক সংকট।

Posted in Uncategorized | Leave a comment

রহমতের দরজা এবং দাজ্জালের যাদু :: ২০১৭

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম,
আস্-সালামু আলাইকুম। মোহাম্মাদ কাসীম বলেন, আমি পাকিস্তানের লাহোরে থাকি। ৬ই জুলাই, ২০১৭ তারিখে আমি এই সপ্নটি দেখেছিলাম। আমি আল্লাহর কাছ থেকে কিছু বার্তা পেয়েছি, এবং আমাকে কিছু বার্তা লোকের কাছে ছড়িয়ে দিতে বলা হয়েছিল, এরপর আমি লোকদের সাথে দেখা করতে শুরু করলাম, কিন্তু দাজ্জাল জানতে পেরেছিল যে, আমি মুসলমানদের হারানো ভাগ্য ফিরে পেতে ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা করছি।
তাই দাজ্জাল তার শক্তি প্রয়োগ শুরু করে দিল।
আমি মুসলমানদের সাথে দেখা করে এই বার্তাটি দিয়েছিলাম কিন্তু দাজ্জাল ইতিমধ্যেই তাদেরকে অজ্ঞান করে ফেলেছে এবং লোকেরা আমার বার্তা শোনেনি বা আমার কথায় কান দেয়নি, তবে কিছু লোকের উপর আল্লাহর বিশেষ রহমত ছিল, তাদের উপর দাজ্জালের কোন ক্ষমতা ছিল না, তারা আমার কথা শুনছিল এবং আমাকে চিনতেও পেরেছিল যে আমার নাম কাসিম।
আমি এই লোকদের সাথে দেখা করে খুশি হলাম।
তারপর এই লোকেরাই আমার সাথে অন্যদেরকে বার্তা দিয়েছে তবে কয়েকজন লোক ছাড়া কেউ আমাদের কথা শোনেনি, তখন আমার প্রতি বিশ্বাস রাখে এমন দু’একজন লোক চলে গেল, আমি অবাক হয়ে গেলাম যে “তাদের কী হয়েছে”?
এরপরেই আমি শ্বাস নিতে কষ্টবোধ করছিলাম তখন আমার সাথের এক বন্ধু বলল ‘‘ আপনার চেহারা তো বদলে গেছে ’’।
আমি অবাক হয়ে আয়নার দিকে তাকালাম এবং দেখলাম যে আমার মুখে একটি মুখোশ রয়েছে, আমি বললাম ”এর জন্যেই আমার শ্বাস নিতে অসুবিধা হচ্ছে, তখন কিছু লোক আমাকে ছেড়ে চলে গেল কারণ তারা মাস্ক এর জন্য আমাকে চিনতে পারেনি ”।
আমার বন্ধু বলল যে ” এটি অবশ্যই দাজ্জালের কাজ, যাতে আপনার উপর বিশ্বাসী লোকেরা আপনাকে ছেড়ে চলে যায়”, আমি মুখোশটি খুলে বললাম যে “দাজ্জাল এখনও পুরো ক্ষমতা পায়নি কিন্তু ইতিমধ্যেই সে এত শক্তিশালী হয়েছে, পুরো ক্ষমতা পেলে সে কতটা বিপজ্জনক হবে? ”
এরপর আমরা কয়েকজন বড় লোকেদের কাছে পৌঁছানোর সিদ্ধান্ত নিলাম, তবে তাদের কাছে পৌঁছানোর আগেই দাজ্জাল তাদেরকে বধির, নিঃশব্দ এবং অন্ধ করে ফেলেছিল এবং তারা কোমায় রয়েছে যে এমন কিছু ভাবতে বা বুঝতেও সক্ষম হয় নি।
আমি সত্যিই অবাক হয়ে গিয়েছিলাম যে দাজ্জাল কেন এত শক্তিশালী, সে কীভাবে জানতে পারে যে আমরা এই জায়গাগুলিতে যাচ্ছি, যাতে সে তাদের উপর যাদু করতে পারে।
আমি আমার সাথের লোকদের বললাম যে, দাজ্জাল আমাদের পেছনে লেগে আছে, কিন্তু আমার কাছে এমন কিছু আছে যা আল্লাহ ﷻ আমাকে দিয়েছেন এবং দাজ্জাল এখনও সম্পুর্ন ক্ষমতা পায় নি তাই সে আমাদের সামনে উপস্থিত হবে না, কিন্তু সে আড়ালে থেকে তার যাদু বিদ্যার সাহায্যে আক্রমন করবে, সুতরাং আপনারা সাবধান হন এবং দাজ্জাল থেকে রক্ষা পেতে হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) এর সমস্ত পরামর্শ গুলো অনুসরণ করুন”।
তারপরে আমরা বিভিন্ন স্থানে গিয়ে জনগণের সাথে যোগাযোগ করি।
আমার সাথে দু-তিন জন লোক ছিল, আমরা একটি নদী বা সমুদ্রের তীরে পৌঁছলাম এবং সেখানে একটি নৌকা ছিল।
এটি দেখে আমি বললাম যে ‘‘ আমরা এই নৌকোটিতে বসে অন্য জায়গায় চলে যাব, ’’ তবে কিছু লোক ছিল যারা বার্তা দেওয়ার জন্য অন্য জায়গায় গিয়েছিল।
আমরা একজনকে নৌকায় রেখে বাকি দের ডাকতে গেলাম যারা অন্য লোকের সাথে যোগাযোগ করতে গিয়েছিল, আমরা তাদেরকে ফিরিয়ে এনে দেখি নৌকায় রেখে যাওয়া সেই ব্যক্তিটি কাদা জলে পা দিয়ে বসে আছে, হঠাৎ সে চিৎকার করে তার পা বের করে নিল, তার পা হাঁটু পর্যন্ত জ্বলছিল যেন কেউ তার উপর এসিড ফেলেছে।
এটি দেখে আমরা চিন্তিত হয়ে পড়লাম যে ‘‘ কী হয়েছে? ’’
আমি তাকে বললাম ‘‘ তুমি বসে বসে কাদা জলে পা ফেলেছো কেন?”
আমি ইতিমধ্যেই বলেছিলাম যে ‘‘দাজ্জাল আমাদের পিছনে রয়েছে এবং সে কোনো সুযোগ হাতছাড়া করবে না। ’’
সে হাঁটতে পারছিল না এবং অন্য লোকেরা তাকে নৌকায় তুলে রাখল, আমি আবার ফিরে গিয়ে বড় লোকদের দিকে তাকিয়ে বললাম ‘’ এই লোকেরা কখন জেগে উঠবে? আর কতক্ষণ তারা একই অবস্থায় থাকবে? এই লোকেরা কেবল তখনই আমাকে বিশ্বাস করবে যখন তারা জেগে উঠবে এবং যখন তাদের অনুগামীরা আমাকে বিশ্বাস করবে, এই সমস্ত ঘটবে কখন? ’’
তারপরে আমি বলেছিলাম যে ‘‘ আমার উচিত তাদেরকে ছেড়ে নৌকার অপর প্রান্তে যাওয়া , সম্ভবত সেখানে কিছুটা আশা পাওয়া যাবে। ’’
ফিরে আসার পথে আমি আমার সাথে কিছু মেডিকেল চিকিৎসাও পাই,তারপর আমরা তার পায়ে প্লাস্টার জড়িয়ে দিই যাতে সে খুব শীঘ্রই সুস্থ হয়ে উঠে, তখন একজন ব্যক্তি প্রশ্ন করলেন ‘’আমরা এই নৌকায় করে় কোথায় যাব?’’
আমি বললাম ‘‘ হয়ত আমরা এখানে চেষ্ঠা করার বদলে কিছুটা আশা খুজে পেতে পারতাম, কিন্তু কিছুই হয়নি।”
যখন আমরা নৌকাটিতে করে রওনা দেয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলাম তখন আমরা কিছু লোককে দেখতে পাই যা দেখে মনে হচ্ছিল যে তারা কোনও যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে এসেছে, আমরা তাদের জিজ্ঞাসা করলাম ‘‘ আপনারা কারা? ’’
তারা বলল ‘‘ আমরা যে জায়গায় বাস করতাম সেখানে হঠাৎই যুদ্ধ শুরু হয়েছে এবং আমাদের ঘরগুলি খারাপভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে, আমরা এখানে তা আর বানাতে পারব না।’’
আমি জানতে চাইলাম যে ‘‘ সেখানে কী ঘটেছিল যে তাদের সমস্ত বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে গেছে এবং তারা হিজরত করতে বাধ্য হয়েছে? ’’
আমি আমার বন্ধুদের বললাম ‘‘ প্রথমে তাদেরকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া যাক এরপর আমরা আমাদের যাত্রায় বের হব।’’
তাদেরকে নিরাপদ স্থানে পৌছে দিয়ে আমরা যাত্রা শুরু করলাম, আমরা এমন এক জায়গায় পৌঁছে গেলাম যেখানে খুব উঁচু প্রাচীর সহ একটি বিশাল দুর্গের মত ঘর ছিল, এটি দেখার পরে আমি বললাম যে “এটিই সেই জায়গা যেখানে আমি যেতে চেয়েছিলাম।”
আমি লোকদের বললাম ‘‘ এখানে একটি বিশাল দরজা রয়েছে যা আমরা দুর্গে প্রবেশের জন্য খুলব। ’’
এরপর আমরা দরজাটি অনুসন্ধান করেছি কিন্তু আমরা সেটি পেলাম না।
আমি অবাক হয়ে গেলাম কেন আমরা দরজাটি খুঁজে পাইনি?
এটি সঠিক দুর্গ। তারপরে আমি একটি স্তম্ভ দেখলাম এবং বলেছিলাম যে, দরজাটি কাছেই ছিল সুতরাং আমি কেন এটি দেখতে পাচ্ছি না? যখন আমরা স্তম্ভটি থেকে কিছুটা এগিয়ে গেলাম তখন আমরা দরজাটি দেখতে পেলাম, কিন্তু আমি যখন কিছুটা পিছনে গিয়েছিলাম তখন এটি অদৃশ্য হয়ে গেল। এক ব্যক্তি বলেছিল যে ‘সম্ভবত দাজ্জাল এই দরজাটি সম্পর্কে জানত এবং সে তার জাদু দিয়ে এই দরজাটি লুকিয়ে রেখেছিল। যাতে দরজাটি কেউ দূর থেকে না দেখতে পারে, আমি বলেছিলাম যে ‘হ্যাঁ এটি কারণ হতে পারে, মাঝখানে জাদুর প্রাচীর রয়েছে যা দরজাটি আড়াল করছে।’
এবং যখন আমি দূর থেকে তাকালাম তখন আমি কেবল প্রাচীরটি দেখতে পেতাম কিন্তু যখন কাছে এসেছিলাম তখন আমি দরজাটি দেখতে শুরু করি।
একজন ব্যক্তি বলেছিলেন যে ‘‘ এই দরজাটি কীভাবে খোলা হবে? আমি দরজার কাছে গিয়েছিলাম কিন্তু এটি খোলা হয়নি, আমি দরজার দিকে তাকিয়ে বলেছিলাম যে ‘‘ সম্ভবত দাজ্জাল এটিকে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে, নইলে আমার আগমনে এই দরজা অবশ্যই খুলে যেত। ’’
অতঃপর আল্লাহ তা’আলা আমাকে যে জিনিস দিয়েছিলেন তা আমি বের করে এনেছিলাম এটি একটি শুদ্ধ পানি ছিল এবং আমি এটি দরজার এক জায়গায় ঢেলে দিয়ে দরজাটি আপগ্রেড করতে শুরু করি।
আমি আমার সাথে থাকা লোকদের বলেছিলাম, ” এই দরজার ৬টি স্তর রয়েছে তবে এই খাঁটি জল ঢালার মাধ্যমে এটি আপগ্রেড হতে শুরু করেছে এবং এটি দশম স্তরে উন্নীত হবে এবং তারপরে এটি দাজ্জালের নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত হবে এবং তারপরে এটি খুলবে.”
একজন ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে ‘‘ এই দরজাটি আপগ্রেড করতে কতক্ষণ সময় লাগবে? ’’
আমি বলেছিলাম যে ‘আল্লাহ’ ভাল জানেন, এখন আমার সাথে আসুন এই দরজার কাছে একটি গোপন পথ রয়েছে যা থেকে আমরা দুর্গের ভিতরে দেখতে পারি তবে আমরা সেখান থেকে প্রবেশ করতে পারি না, এবং যদি আমরা ভিতরে কাউকে দেখতে পাই তবে আমরা তাকে বোঝাতে পারি আমাদেরকে সাহায্য করুন.”
আমরা যখন গোপনীয় পথ থেকে ওপরে উঠেছিলাম, তখন দুর্গ অন্ধকারে পূর্ণ হয়ে যায় এবং এটি পরিত্যক্ত হয় এবং দেখে মনে হয় কয়েক শতাব্দী ধরে কেউ এখানে আসেনি।
এটিকে পরিত্যক্ত দেখে আমি খুব দুঃখিত হয়ে গেলাম, আমি দরজার দিকে তাকালাম এবং এটি আপগ্রেড হচ্ছে এবং এটি কেবল যখন খোলা হবে তখন আমরা ভিতরে যেতে পারবো।
আমরা সেখানে কেবল দরজা ব্যতীত কিছুই পাইনি এবং তারপরে আমরা ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যেন দরজাটি খোলার সাথে সাথেই আমরা কিছু করতে পারি।
হঠাৎ একটি সবুজ রঙের পেইন্ট বালতি আমার দিকে চিৎকার করতে করতে আমার দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে বলল যে ‘কাসিম আপনি এসেছেন, আমি এখানে অনেকক্ষণ ধরে লুকিয়ে ছিলাম, “” দাজ্জাল সমস্ত কিছুর উপর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে এবং সে সবকিছুকে বদলে ফেলেছে প্রেত্নার মতো, ” কারণ তারা কী ঘটছে তা বুঝতে তারা এখন অক্ষম, এবং কেবলমাত্র সেই ব্যক্তিরা নিরাপদে আছেন যাদের উপর আল্লাহর বিশেষ রহমত রয়েছে। ‘
আমি বলেছিলাম যে ‘‘ আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম কারণ দুর্গের প্রত্যেকেই আমাকে জানত যে, তারা বেঁচে আছে কি বেঁচে নাই এবং কেন দরজা খোলেনি তা জানেনি।
তারপরে আমি বালতিতে খাঁটি পানি ছিটিয়ে দিয়েছিলাম এবং হঠাৎ আমার নাম বলার সময় একটি ময়ূর উড়ে এসেছিল এবং বলেছিল যে ‘‘ কাসিম আপনি এসেছেন। ’’
সেই ময়ূরটি খুব সুন্দর ছিল এবং আমি এটাতে খাঁটি জল ছিটিয়ে দিয়েছিলাম এবং এটি জ্বলতে শুরু করে এবং তার পরে আরও একটি ময়ূর এসেছিল।
আমরা এই সব দেখে খুশি হয়েছি যে কমপক্ষে আমরা কিছু আশা পেয়েছি এমনকি যদিও এটি পাখি এবং জীবজন্তু, এটি আমাদের জন্য খুব দুর্দান্ত লক্ষণ।
তখন আমি দুর্গের কোণে তাকালাম এবং দেখলাম একটি কালো দুর্বল ও ক্ষুধার্ত গাভী যা শৃঙ্খলিত ছিল, এর মুখটি ছিল অত্যন্ত অদ্ভুত এবং ভয়াবহ এবং আমি অনুভব করলাম যেন দাজ্জাল এটিকে এ অবস্থায় এনেছে, যখন আমি এর ভয়াবহ চোখে তাকালাম তখন আমি অনুভব করেছি যে দাজ্জাল এই দুর্গে রয়েছে এবং সে এই গরুর চোখ থেকে আমার দিকে তাকাচ্ছে । (স্বপ্ন শেষ)
জাযাকাল্লাহু খাইরান।

Posted in Uncategorized | Leave a comment

প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কি কি শির্ক করেছেন???


মোহাম্মাদ কাসীম বলেন, ২০১৮ সালের ২৫ জুলাই, এই স্বপ্নে তিনি দেখেন যে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান অনেক চ্যালেঞ্জ ও সমস্যার মুখোমুখি হন এবং যেভাবে তিনি তার লক্ষকে অনুসরণ করতে চান, তিনি তা করতে পারেন না এবং তার সাধনা ব্যর্থ হয়। তার ব্যর্থতার কারণে তার খুব মন খারাপ হয়ে যায়। আমি একটি রুমের মধ্যে বসে এইসব পরিস্থিতি দেখতেছি। তারপর ইমরান খানও সেই ঘরের দিকে হেঁটে চলে আসেন যেখানে আমি ইতিমধ্যে উপস্থিত আছি। যখন তিনি রুমে প্রবেশ করেন, তিনি ক্রোধে কিছু বলেন, যা আমি মনে করতে পারছি না। আমি তার সাথে কথা বলি এবং তাকে বলি যে, যদি আপনি আল্লাহ্‌র সাহায্য চান তবে আপনাকে শির্কের সকল রূপগুলো পরিত্যাগ করতে হবে। যেভাবে আপনি মাজারে সিজদা করেছিলেন, সেটি হল শিরকের একটি প্রধান রূপ এবং আপনার সেই কর্মের জন্য আপনার আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং তাওবা করা উচিত। আপনার অনুশোচনার সাথে আল্লাহ্‌র সামনে সিজদা করা উচিত। আপনাকে একটি দৃঢ় এবং আন্তরিক প্রতিশ্রুতি করতে হবে যে, আপনি আল্লাহ্‌ ব্যতীত অন্য কারো সামনে আর কখনোই মাথা নত করবেন না। আমি তাকেও স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলাম যে, আপনি নিজেই বলেছিলেন যে, “ইমরান খান আল্লাহ্‌ ব্যতীত অন্য কারো সামনে মাথা নত করে না।” তাহলে কেন আপনি তা করলেন? তখন ইমরান খান তার ভুল বুঝতে পেরে বললেন, হ্যাঁ, আমি এটা বলতাম। তারপর তিনি বলেন যে, আমি কেবল আল্লাহ্‌র কাছেই মাথা নত করতাম, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আমি এমন লোকদের দ্বারা ঘিরে ছিলাম যে আমি ভুল পথে গিয়েছিলাম। তারপর আমি তাকে বললাম যে, যে কেউ মারা গেছে সে মারা গেছে এবং সে এই বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং সাহায্যের জন্য আমরা তাকে ডাকতে পারি না। ইমরান খান আমার কথা খুব যত্ন ও মনোযোগ দিয়ে শোনেন। আমি তাকে বলি যে, যদি কেউ কোন কবরে যায় এবং মৃতদের কাছ থেকে কোন সাহায্য চায় তবে এটিও শির্কের একটি রূপ। যদি কোন ব্যক্তি কাউকে শুভেচ্ছা জানানো বা সম্মান দেখানোর জন্য কারো সামনে মাথা নত করে যেমন জাপানের লোকজন করে থাকে তাহলে ঐটাও শিরকের একটি রূপ। এইরকম অন্যান্য আরো অনেক প্রকারের শির্ক আছে। যদি আপনি আল্লাহ্‌র সাহায্য চান এবং যদি আপনি সফল হতে চান, তাহলে আপনাকে সব ধরনের শির্ক থেকে নিজেকে রক্ষা করতে হবে, অন্যথায় আপনি কখনোই সফল হতে পারবেন না। ইমরান খান খুব মনোযোগ সহকারে আমার কথা শুনেছেন। যেমন কেউ যদি কোন কিছুর মধ্যে একটি বড় আশা দেখে। এবং ইমরান খান এই আশাটি দেখেছিলেন শির্ক এবং শিরকের রূপগুলিকে এড়িয়ে চলার মধ্যে। কারণ এটার মত করে আগে কেউ তাকে শির্ক এবং শিরকের রূপগুলো সম্পর্কে ব্যাখ্যা করেনি অথবা তাদের সম্পর্কে তাকে সতর্ক করেনি। স্বপ্ন শেষ হয়।

Posted in Uncategorized | Leave a comment

(মোহাম্মাদ কাসীমের স্বপ্নের প্রথম নিদর্শন- তারা পাকিস্তানকে “তোরা বোরা” হিসাবে তৈরি করার চেষ্টা করবে)


মোহাম্মাদ কাসীম বলেন, ৬ জুন, ২০১৭ তারিখের স্বপ্নে আমি নিজেকে একটা বড় বিল্ডিংয়ের হল রুমে দেখলাম। আমি আমার স্বপ্নগুলো কিছু মানুষকে বলতেছিলাম যে, ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনাই ঘটবে এবং একটি খুব খারাপ সময় মুসলমানদের উপর আসবে এবং এমনকি সেখানে ইসলামকে সম্পূর্ণভাবে শেষ করে দেওয়ার প্রচেষ্টাও করা হবে। কিন্তু আল্লাহ্‌ মুসলিমদের সাহায্য করবেন এবং ইসলাম সারা পৃথিবীতে বিস্তার লাভ করবে। তারপর একজন ব্যক্তি আমাকে জিজ্ঞাসা করল যে- কাসীম, কখন আপনার স্বপ্নগুলো সত্যি হবে ? আমি তখন চুপ হয়ে গেলাম এবং চিন্তা করলাম যে, একমাত্র আল্লাহ্‌ জানেন কখন এই স্বপ্নগুলো সত্য হবে। আপাতত আমি শুধুমাত্র অগ্রহণীয় আনুমান করতে পারি। অন্য ব্যক্তি বলল যে, আপনার স্বপ্নগুলো যে সত্যি হবে তার নিদর্শন কী ? আমরা কিভাবে আপনাকে বিশ্বাস করতে পারি ? কোন ঘটনা ঘটবে আমাদেরকে বলুন যা প্রমাণ করে যে, আপনার স্বপ্নগুলো সত্য হতে যাচ্ছে। এবং তারা আমাকে অনেক ধরনের প্রশ্ন করল। এবং আমার বলার মত কিছুই ছিল না, তাই আমি সেখান থেকে হাঁটতে শুরু করলাম। তারপর একজন ব্যক্তি যে আমার স্বপ্নগুলোকে বিশ্বাস করত সে বলল যে, তার স্বপ্নগুলো সত্য। আমি এই বিষয়ে আমার গবেষণা করব এবং কখন এই স্বপ্নগুলো সত্য হবে এটি আমি খুঁজে বের করার চেষ্টা করব এবং পূর্বে যে ঘটনাবলী ঘটবে। তারপর তিনি চলে যান এবং রুমের মত কিছু লাইব্রেরিতে প্রবেশ করেন। সেখানে একটা বই ছিল এবং তার মধ্যে একটা কাগজ ছিল। তিনি কাগজটা খুললেন এবং তার উপরে কিছু লিখা ছিল। বলতেছিলেন, কাসীমের স্বপ্নের প্রথম নিদর্শন হল- তারা পাকিস্তানকে “তোরা বোরা” হিসাবে তৈরি করার চেষ্টা করবে। স্বপ্ন শেষ হয়।

Posted in Uncategorized | Leave a comment

কৌতূহল

মোহাম্মাদ কাসীম বলেন, আমি এই স্বপ্ন ২০ জুন ২০১৭ তে দেখেছিলাম। আমি এই স্বপ্নে একটি বড় প্রাসাদ দেখতে পাই। সেখানে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে সেই দেশের রাষ্ট্র প্রধানের দ্বারা। সেখানে আরো অনেক লোক আছে এবং আমি নিজেও সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকি। হঠাৎ কিছু ঘটে এবং কিছু লোক এই অনুষ্ঠানে এসে পড়ে, সেখানে গুলি করতে থাকে। বিশৃঙ্খলার মধ্যে মানুষ তাদের জীবন বাঁচাতে সব দিক থেকে দৌড়াতে শুরু করে। প্রাসাদের নিরাপত্তা প্রহরী ফিরে আসে এবং ওই লোকদের বন্ধ করে। পরিস্থিতির যখন সামান্য উন্নতি হয়, তখন কেউ রাষ্ট্রের প্রধানের নাম বলে অভিহিত করে এবং বলে যে তার ছেলে মারা গেছে এবং এই সংবাদ পুরো প্রাসাদে ছড়িয়ে পড়ে। মানুষ বলা শুরু করে যে, রাষ্ট্র প্রধানের ছেলে মারা গেছে কিন্তু কেউ তার মৃতদেহ খুঁজে পায় না। যখন রাষ্ট্রের প্রধান এই দুঃখজনক ঘটনা সম্পর্কে জানতে আসে তখন তিনি অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হন এবং তিনি তার পুত্রের মৃত্যুতে প্রতিশোধ নেবার প্রতিশ্রুতি দেন এবং অপরাধীদের শাস্তি দিতে চান। তার পুত্রের আকস্মিক মৃত্যুর খবর সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। কিছু মানুষ ভবিষ্যতের পূর্বাভাস শুরু করে যে এখন পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়ে যাচ্ছে, কারণ এটি একটি সাধারণ ঘটনা নয়। শাসক অপরাধীদের ঠিকানা খুঁজে বের করতে অনেক শক্তি ও সম্পদ ব্যয় করে, অনেক অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং এমনকি যদি সন্দেহের একটি ছায়াও হয় সেই এলাকা তার বাহিনী দ্বারা ধ্বংস করা হয়। পরিস্থিতি খারাপ এবং বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনার কারণে অন্যান্য অনেক দেশ এতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যেখানে পাকিস্তানও এই দুঃখজনক ঘটনা দ্বারা প্রভাবিত হয়। এইসব দেখে আমি নিজেকে বলেছিলাম এটা খুব খারাপ পরিস্থিতি এবং যদি এটা চলতে থাকে তাহলে সবকিছু নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে যাবে। পরিস্থিতি আরো ভাল করার জন্য আমি কিছুটা জায়গা ছেড়ে চলে যাই। যখন আমি সেখানে এসে যাই তখন আমি একটি মিনার তৈরি করা বিল্ডিং দেখি এবং আমি দেখতে পাই যে কিছু লোক সেখানে আছে। তারা এই ভবন থেকে বেরিয়ে আসে এবং হঠাৎ করে একদল মানুষ তাদের উপর গোলাগুলি করে। এই প্রতিক্রিয়ায় তারাও একই কাজ করে। আমি এক জায়গায় লুকিয়ে থাকি বন্দুকধারীদের গুলি বিনিময়ের কারণে প্রায় সব লোকই মারা যায়। আমি বেরিয়ে আসি এবং নিজেকে বলি যে, এই ভবনে এমন কিছু আছে যা এই লোকেরা ইহার মধ্যে লুকিয়ে রেখেছে। একজন আহত মানুষ আমাকে বলেছে যে, এই ভবনের ভেতরে একজন মানুষ আছে, সেখানে যান এবং তাকে সাহায্য করেন কিছু লোক তাকে হত্যা করতে চায়। আমি ভবনের ভিতরে যাই এবং কিছু সময়ের জন্য ঘুরে বেড়ানোর পর বাড়ির উপরের তলায় পৌঁছাই এবং আমি সেখানে একজন আহত লোককে শায়িত অবস্থায় খুঁজে পাই। যখন আমি তার কাছে কিছুটা কাছাকাছি আসি, তখন আমি আশ্চর্য হই, তিনি রাষ্ট্র প্রধানের সেই পুত্র এবং তিনি বেঁচে আছেন। আমি নিজে ভাবলাম যে, মানুষ বলেছিল যে সে মারা গেছে আর সে বেঁচে আছে! কিন্তু এখন অনেক দেরি হয়ে গেছে। আমি তাকে বললাম যে, লোকেরা ভাবছে তুমি মারা গেছ! কিন্তু তুমি বেঁচে আছো! সে আমাকে বলেছিল যে, কিছু লোক আমাকে অপহরণ করেছে কিন্তু অন্য কিছু লোক আমাকে খুঁজে পেয়েছে, এবং তারা আমাকে উদ্ধার করেছে এবং আমাকে এখানে এনেছে এবং তারপর আমি এখানে লুকিয়ে আছি। আমি নিজেকে বললাম, “সে জানে না যে, যারা তার জীবন বাঁচিয়েছিল এবং এখানে এনেছে তারা এখন মারা গেছে।” আমি তাকে কিছু খাবার ও চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছিলাম, সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলাম, তখন স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল।

Posted in Uncategorized | Leave a comment

(প্রেসিডেন্ট এরদোগানের অটোমান সাম্রাজ্য)


মোহাম্মাদ কাসীম বলেন, ২০১৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারীর স্বপ্নে আমি দেখি যে, তুর্কীর প্রেসিডেন্ট এরদোগান খুব বড় একটি জনসভায় ভাষণ দিচ্ছিলেন। এবং তিনি তুর্কীর লোকজনকে বলছিলেন যে, আমরা আবার অটোমান সাম্রাজ্য তৈরি করব এবং এইসব ক্ষমতা যা আমি অর্জন করেছি, এসব এটার একটি অংশ। এবং এইসব ক্ষমতা পাওয়ার পর আমরা মুসলমানদের হারানো অবস্থান ফিরে পাব। জনসভার ভাষণ শেষে, এরদোগান আবার তার আসনে বসলেন এবং তিনি অত্যন্ত গর্ভের সাথে হাসি দিলেন। তারপর আমি দেখি যে, খারাপ বাহিনীর বড় কিছু ব্যক্তিরা এইসব দেখে রাগান্বিত হন। তারা বলেন যে, এই লোকটা বিপদজনক, এইসব ক্ষমতা পাওয়ার পর সে যেকোনো কিছু করতে পারবে। এবং তার পরিকল্পনাও বিপদজনক এবং সে যদি অটোমান সাম্রাজ্য পেয়ে যায় তবে এটা আরো বেশি বিপদজনক হবে। অন্য ব্যক্তিটি বলেন যে, তাকে যে কোন মূল্যে থামাতে হবে। তিনি ইতিমধ্যে তার মিশন শুরু করেছেন এবং তিনি সিরিয়াও অতিক্রম করেছেন। অন্য ব্যক্তিটি বললেন যে, তিনি মুসলমানদের একটি খুব শক্তিশালী নেতা হয়ে যাবেন। যাইহোক না কেন, এই ক্ষমতা পাওয়া থেকে তাকে আমাদের থামাতেই হবে। অন্যথায় সমস্যা আমাদের জন্যও তৈরি করা হবে এবং আমাদের মসীহের জন্য একটি পথও প্রস্তুত করা হবে। স্বপ্ন এখানেই শেষ হয়।

Posted in Uncategorized | Leave a comment

(৩ ভাই = [প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু + প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প + প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী])


মোহাম্মাদ কাসীম বলেন, ২০১৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারীর স্বপ্নে আমি দেখি যে, আমি হোয়াইট হাউসের মধ্যে আছি। আমি হোয়াইট হাউসটাকে দেখতে থাকি ও দেখি যে, এটা অনেক ভালভাবে তৈরি করা হয়েছে। এবং তারপর আমি একটি হলে যাই ও সেখানে একটি দরজা ছিল। আমি ঐ দরজাটা অতিক্রম করি ও সেখানে ২ জন লোক কথা বলতেছিল। এক লোক অন্য জনের কাছে ভিক্ষা চাইল, তাকে যেন তার ছোট ভাই করা হয়। এবং বলছিল যে, আমি আপনার প্রতিটি আদেশ মেনে চলব, এবং আপনি যা ই বলেন না কেন আমি সবই করব। এবং এই যে দেখুন, আমি একই রকমের ধ্বংস কাশ্মীরে ছড়িয়ে দিচ্ছি, যেমন ইসরায়েল ফিলিস্তিনে ছড়িয়ে দিচ্ছে আপনাকে খুশি করার জন্য। এবং এটি শুনে অন্য ব্যক্তিটি খুবই খুশি হয়ে উঠল এবং বলল যে, আজ থেকে আপনি আমার ছোট ভাই, এবং আমরা এখন থেকে এক সাথে এই কাজকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে থাকব। এবং ঐ ব্যক্তিটি খুবই খুশি হয়ে বলল, আমি আমার বড় ভাইকে অভিযোগ করার আর প্রয়োজন হবে না। এই দেখে আমি অবাক হয়ে গেলাম। এই লোকগুলো কারা, যারা ভাই হয়ে গেছে ? এবং তারপর বড় ভাই রুম থেকে বেরিয়ে এল এবং অন্যদিকে গেল। এবং আমি রুমে প্রবেশ করি ও দেখি যে, এটা ছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং তিনি সত্যিই খুশি ছিলেন, কারণ তার মনের ইচ্ছা পূরণ হয়েছে এবং আমিও অনেক অবাক হলাম যে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী হোয়াইট হাউসে পৌঁছে গেছে এবং সে আমেরিকার প্রেসিডেন্টের ছোট ভাই হয়ে গেছে। এবং এখন তারা একসাথে ধ্বংস ছড়াবে, এবং তারপর আমি আমেরিকার প্রেসিডেন্টের কাছে যাই। তিনি অন্য রুমে চলে গিয়েছিলেন ও সেখানে তিনি অন্য কারো সাথে কথা বলছিলেন এবং সে বলল, আমরা একটা ছোট ভাই খুজে পেয়েছি, আমরা তাকে যা বলব সে তা ই করবে, এবং তিনিই আমাকে এই কাজ সম্পর্কে বলেছেন ও তিনি এটা করেছেন। সে সঠিকভাবে আপনারই পথ অনুসরণ করছে। এবং এই শুনে সে খুব খুশি হয়ে উঠে এবং বলল, সেই দিন বেশি দূরে নয় যে দিন আমরা পুরো পৃথিবী শাসন করব। সে বলল, আমাকে তার সাথেও সাক্ষাৎ করান। তারপর তারা উভয়ে রুম থেকে বেরিয়ে আসেন এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট যার সাথে কথা বলতেছিলেন তিনি ছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। তারপর তারা উভয়ে হলে গেলেন এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ডেকে আনলেন এবং বললেন যে, বেরিয়ে আসেন, এখন আপনার আর কারো কাছ থেকে লুকিয়ে থাকার প্রয়োজন নেই। এখন আমরা এক সঙ্গে আমাদের মিশন সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব। এবং তারপর তারা এটার জন্য প্রতিজ্ঞা করল এবং তারা বলেন যে, এখন আমরা মুসলমানদের চূর্ণ করতে থাকব। এইসব দেখে আমি বললাম যে, মুসলমানরা ঘুমাচ্ছে এবং কাফেররা দিনরাত তাদের পরিকল্পনা অনুসারে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের সবাই ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে এবং মুসলমানদের জন্য খারাপ সময় আসতে যাচ্ছে এবং পাকিস্তানীরা এখন খুব কষ্ট পাবে। স্বপ্ন শেষ হয়।

Posted in Uncategorized | Leave a comment

(প্রেসিডেন্ট এরদোগানের মৃত্যু ও তুর্কীতে ধ্বংস এবং ৩য় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা)

মোহাম্মাদ কাসীম বলেন, ২০১৭ সালের ৩ মার্চের স্বপ্নে আমি দেখি যে, তুর্কী অধঃপতিত হয় ও তুর্কীতে ধ্বংস শুরু হয়। তারপর ইসরায়েল সত্যিই সক্রিয় হয়ে উঠে। ইসরায়েল ফিলিস্তিন এলাকায় তার অপারেশন বৃদ্ধি করে, এবং এতে দাজ্জালের জন্য একটি দুর্গ নির্মাণ করে। এবং মুসলমানরা প্রতিবাদ ছাড়া আর কিছুই করতে পারেনা। ইসরায়েল অন্যান্য কিছু দলের সঙ্গে জোট গঠন করে এবং তাছাড়াও সন্ত্রাসী কার্যক্রম শুরু করে। আমেরিকা সম্পূর্ণভাবে ইসরায়েলকে সমর্থন করে এবং তাদের বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে। যখন রাশিয়া এই বেপারে জানতে পারল, তখন তারাও এইসব এলাকায় অন্যান্য দলের সাথে জোট গঠন করে। তারপর হঠাৎ করে আমেরিকা প্রকাশ্যে লাফ দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে আশে এবং ইসরায়েল ও অন্যান্য জোটের সাথে সাক্ষাৎ করে। এবং রাশিয়ার দলের সাথে যুদ্ধ শুরু করে। এসব দেখার পর রাশিয়াও লাফ দেয় এবং তার মিত্ররা সমর্থন করে। এবং এইভাবে ৩য় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়। এবং যুদ্ধের ময়দান হয় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো, যার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে খারাপ ধ্বংস শুরু হয় ও এই যুদ্ধ বাড়তে থাকে। আমেরিকা, রাশিয়া ও তাদের মিত্রদের এই যুদ্ধের কারণে বৃহৎ পরিমাণ মুসলমানরা মরতে শুরু করে। এবং এই যুদ্ধ এত বেশি আতঙ্কজনক ও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠে যে, কেউ তাদের জন্য কিছুই করেনি। এই যুদ্ধ ধীরে ধীরে মিশর, সুদান, সৌদিআরব, কুয়েত, দুবাই, মধ্যপ্রাচ্য ও আরব দেশগুলোতে ছড়িয়ে পরে। এবং আমেরিকা, রাশিয়া ও ইসরায়েলের মিত্ররা তা আরো বাড়িয়ে চলছে। কিছু মুসলিম দেশ আমেরিকা ও রাশিয়ার সঙ্গে মিত্র হয়ে উঠে। উভয় পরাশক্তিই জমির অধিকাংশ নিতে চেয়েছিল। এবং ইতিমধ্যে যারা এই ক্ষেত্রগুলিতে ছিল তারাও দাড়িয়ে যায় এবং একে অন্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। কিন্তু অন্যদিকে পাকিস্তানের অগ্রগতি চলছে এবং এটি শক্তিশালী হতে থাকে। এবং ভারত মিত্র হয় আমেরিকা ও রাশিয়ার যাতে মধ্যপ্রাচ্যের সাথে বরাবর থাকে। আমেরিকা, ইসরায়েল ও অন্যান্য মিত্ররা একসাথে পাকিস্তানের উপর হামলা চালায়। তারা পাকিস্তানকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল। পাকিস্তানের শত্রুদের সংখ্যা ছিল মহান। কিন্তু আল্লাহ্‌ পাকিস্তানকে সাহায্য করলেন “ব্ল্যাক জেট ফাইটার” দ্বারা যার সংখ্যা ৩০০০ এর কাছাকাছি ছিল। তারপর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হয় এবং পাকিস্তান আল্লাহ্‌র সাহায্যে যুদ্ধে জয়ী হয়। এবং পাকিস্তান ভারতের সকল এলাকা দখল করে এবং বাংলাদেশ, আফগানিস্তানও পাকিস্তানের একটা অংশ হয়। ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া পাকিস্তানের সাথে যুক্ত হয়, কারণ পাকিস্তানের সকল শত্রুরা পরাজিত হয়। এরপর পাকিস্তান আল্লাহ্‌র সাহায্যে মধ্যপ্রাচ্যে লাফ দেয় ও উভয় পরাশক্তির সাথে লড়াই করে। পাকিস্তান ব্ল্যাক জেট ফাইটার দ্বারা হামলা করে এমন ভাবে যে, কেউ পাকিস্তানকে থামাতে পারে না। এবং উভয় পরাশক্তিকে পরাজিত করার পর পাকিস্তান একাই বিশ্বে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী জাতি হয়ে উঠে। এবং এটি ফিরে মধ্যপ্রাচ্য, আরবদেশ, তুর্কী, মিশর, সুদানে। এবং এইসব এলাকা পাকিস্তানের একটি অংশে পরিণত হয় ও পাকিস্তান এই এলাকাগুলো পুনঃনির্মাণ শুরুকরে। এবং নবী মোহাম্মাদ (সঃ) এর প্রকৃত ইসলাম এইসব এলাকায় প্রতিষ্ঠিত হতে শুরু করে এবং যেখানে ৩য় বিশ্বযুদ্ধ হয়েছিল সেখানে শান্তি আসে। এবং স্বপ্ন এখানেই শেষ হয়

Posted in Uncategorized | Leave a comment

মোহাম্মাদ কাসীমের সাক্ষাৎকার

লক্ষ লক্ষ লোক আছে যারা মানুষকে আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার পথে ডাকে। কিন্তু খুবই অল্প সংখ্যক লোক আছে যারা মানুষকে তাওহীদ ও আল্লাহ্‌র পথে আহ্বান করে গোপনে এবং লুকিয়ে থেকে। মোহাম্মাদ কাসীমও এমন একজন ব্যক্তির মত, দার্শনিক, যার কোন দুনিয়াবী আকাঙ্ক্ষা নেই। তিনি তার শৈশব থেকে সত্য স্বপ্ন দেখছেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ১২ বা ১৩ বছর বয়স থেকে আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা এবং নবী মোহাম্মাদ (সঃ) কে আমি আমার স্বপ্নে দেখি। আমার স্বপ্নের প্রথম চিহ্ন হলো যে, শত্রুরা পাকিস্তানে আক্রমণ করবে ও ভাঙ্গার চেষ্টা করবে, তবে আল্লাহ্‌ পাকিস্তানকে রক্ষা করবেন এবং সংরক্ষণ করবেন। আল্লাহ্‌র রহমতের মাধ্যমে পাকিস্তান অনেক উন্নতি ও অগ্রগতি করবে এবং এটি বিশ্বের ইসলামের নেতৃত্ব দেবে। আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার বিশেষ রহমত ও আশীর্বাদ রয়েছে পাকিস্তানের উপর কারণ এটিই একমাত্র রাষ্ট্র যা ইসলামের নামে বিদ্যমানে আসে, তাই আল্লাহ্‌ নিজেই পাকিস্তানকে রক্ষা করবেন। তিনি আরো যোগ করেছেন যে তার সমস্ত স্বপ্নের সামগ্রিক বিবরণ তিনটি বিষয়ের উপর জোর দেয়; আমার স্বপ্নের মাধ্যমে আল্লাহ্‌ আমাকে শির্ক থেকে বিরত থাকতে বলেছিলেন এবং একই বার্তা নবী মোহাম্মাদ (সঃ) এর সকল উম্মতের জন্যও, সকাল ও সন্ধ্যায় যিকির এবং তাসবীহ পড়তে (কালীমা ও নামাজ পড়ার মাধ্যমে আল্লাহ্‌কে স্মরণ রাখতে) এবং শেষ ও চূড়ান্ত নবী ও রসূল মোহাম্মাদ (সঃ) এর প্রতি দুরূদ ও সালাম পাঠাতে। ২০১৪ সালে, প্রথমবারের মতো আল্লাহ্‌ আমাকে আদেশ করেছিলেন আমার স্বপ্নগুলো প্রচার করতে এবং জনগণের মধ্যে এই বার্তা পাঠাতে। পাক-ভারত উত্তেজনা ও দ্বন্দ্ব সম্পর্কিত স্বপ্নের বিষয়ে মোহাম্মাদ কাসীম বলেন, পাকিস্তানি নাগরিকরা সম্পূর্ণ আন্তরিকভাবে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাথে যুদ্ধের জন্য প্রথম সারিতেও নিজেকে খুঁজে পেয়েছেন এবং তিনি যে কোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে পাকিস্তানকে রক্ষা করার অঙ্গীকার করেছেন। লাল পতাকা নিয়ে একটি দেশ থেকে আসা সেনাবাহিনীও এই পাক-ভারত লড়াই এ অংশ নেয় এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীকে সতর্ক করে দেয় যে, যদি আপনি এখন এক ধাপ এগিয়ে যান তবে আমরা ভারতকে ধ্বংস করব। এই সাক্ষাত্কারে মোহাম্মাদ কাসীম বারবার কালো জঙ্গি বিমানের কথা বলেছিলেন এবং এই কালো জঙ্গি বিমান সর্বদা পাকিস্তান সীমান্ত রক্ষা করার জন্য প্রস্তুত থাকবে এবং তারা শত্রুদের যেকোনো হুমকির প্রতি সাড়া দিতে সম্পূর্ণরূপে সক্ষম। ৩য় বিশ্বযুদ্ধ সম্পর্কে মোহাম্মাদ কাসীম আমাদের বলেছিলেন যে, এই যুদ্ধের সময় সমগ্র মধ্যপ্রাচ্য ধ্বংস হয়ে যায়। মানুষ মধ্যপ্রাচ্য থেকে পাকিস্তান অভিবাসনের শুরু করে এবং তারপর পাকিস্তান ৩য় বিশ্বযুদ্ধের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করে। পাকিস্তানের কালো জঙ্গি বিমানগুলো এই যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া উভয়কেই পরাজিত করে এবং এভাবেই পাকিস্তান বিশ্বে নতুন সুপার পাওয়ার হিসাবে উঠে আসে। মোহাম্মাদ কাসীম একটি বার্তা দিয়েছেন নবী মোহাম্মাদ (সঃ) এর উম্মতের প্রতি যে, যদি তারা সফল হতে চায় তাহলে নিজেদেরকে শির্ক থেকে রক্ষা করা ও পৃথিবীতে অহংকারে না হাঁটা এবং দয়ার সঙ্গে মানুষের সাথে আচরণ করতে হবে। যতক্ষণ না আমরা রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের শির্ক বিলুপ্ত না করব, আল্লাহ্‌র সাহায্য পৌঁছাবে না এবং এটাই সফলতার একমাত্র উপায় এবং বর্তমান সময়ে পাকিস্তানকে অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসতে এবং একটি মহৎ শক্তি হয়ে উঠার জন্য সব পর্যায়ের সকল শিরক ধ্বংস করা ছারা অন্য কোন উপায় নেই। মোহাম্মাদ কাসীম যে কারো সাথে তার স্বপ্ন প্রচার করতে অনিচ্ছুক বোধ করতেন, কিন্তু আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার আদেশের কারণে তিনি এখন তার স্বপ্নকে সমগ্র বিশ্বে প্রচার করার জন্য দৃঢ়সংকল্পবদ্ধ। মোহাম্মাদ কাসীম নিজেকে বলেন, সর্বশক্তিমান আল্লাহ্‌র একজন ছোট ক্রীতদাস এবং শেষ ও চূড়ান্ত রসূল নবী মোহাম্মাদ (সঃ) এর একজন ক্ষুদ্র চাকর।

Posted in Uncategorized | Leave a comment